“যৌন ও প্রজনন স্বাস্থ্য অধিকার জ্ঞান হোক প্রতিটি শিক্ষার্থীর অধিকার” এই স্লোগান সামনে রেখে ৯ মে, ২০২৬ শনিবারে পাহাড়তলী গার্লস স্কুল এ্যান্ড কলেজে অনুষ্ঠিত হলো স্কুল সচেতনতা কর্মসূচি – ০১।

“যৌন ও প্রজনন স্বাস্থ্য অধিকার জ্ঞান হোক প্রতিটি শিক্ষার্থীর অধিকার” এই স্লোগান সামনে রেখে ৯ মে, ২০২৬ শনিবারে পাহাড়তলী গার্লস স্কুল এ্যান্ড কলেজে অনুষ্ঠিত হলো স্কুল সচেতনতা কর্মসূচি – ০১। অপরাজেয় তারুণ্য চট্টগ্রাম কেন্দ্রের প্রজেক্ট অফিসার অপু দাশগুপ্তের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন অধ্যক্ষ শাহ মো: ইমরান ও ইয়ুথ অফিসার এ্যানি চৌধুরী। সভা সঞ্চালনা করেন এডভোকেট শামীমা আক্তার ঝুমা।
সভার শুরুতে পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করেন ইয়ুথ অফিসার এ্যানি চৌধুরী।
আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, “আজকের এই সচেতনতা মূলক অনুষ্ঠানের বিষয় বয়ঃসন্ধিকালীন স্বাস্থ্য। এটি এমন একটি সময়, যা একজন মানুষের জীবনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও সংবেদনশীল। পৃথিবীর প্রতিটি ছেলে-মেয়ে এই সময়টিতে নানা ধরনের শারীরিক, মানসিক ও সামাজিক পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যায়। আর এই পরিবর্তনগুলোকে বুঝে ওঠা, গ্রহণ করা এবং স্বাস্থ্যকরভাবে সামাল দেওয়া অত্যন্ত প্রয়োজন।
প্রথমেই আমরা মনে রাখতে চাই – বয়ঃসন্ধিকাল কোনো সমস্যা নয়; এটি সম্পূর্ণ স্বাভাবিক একটি বৃদ্ধি প্রক্রিয়া। এই সময় শরীর লম্বা হতে শুরু করে, কণ্ঠস্বর বদলায়, হরমোন পরিবর্তন হয়, এবং আবেগ-অনুভূতিতেও দ্রুত পরিবর্তন আসে। অনেক কিশোর-কিশোরী এই সময় বিভ্রান্ত, লজ্জিত বা উদ্বিগ্ন অনুভব করতে পারে—এটিও খুব স্বাভাবিক। কিন্তু যেটি জরুরি, তা হলো সঠিক জ্ঞান, নিরাপদ তথ্য এবং দায়িত্বশীল সহায়তা পাওয়া। অনেক সময় কিশোর-কিশোরীরা স্বাস্থ্য সম্পর্কিত প্রশ্ন করতে ভয় পায়, কারণ তারা ভাবে— “লজ্জার বিষয়”, “বললে বকা খাব”, বা “আমাকে ভুল বুঝবে”। এমন পরিস্থিতিতে তারা ভুল তথ্য বা সামাজিক ভুল ধারণার ওপর নির্ভর করে, যা তাদের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।
আমরা চাই, আমাদের সন্তানেরা – নিজের শরীর সম্পর্কে সঠিক জ্ঞান অর্জন করবে, প্রয়োজনের সময় স্বাস্থ্যসেবা নিতে পারবে, মানসিক চাপ বা বিভ্রান্তি নিয়ে একা থাকবে না, এবং নিরাপদ সিদ্ধান্ত নেওয়ার সক্ষমতা তৈরি করবে। আজকের এই সেশন তাদের সেই পথ সহজ করে দেবে।”
আলোচনা সভা শেষে শিক্ষার্থীদের নিয়ে গ্রুপ এ্যাকটিভিটি সেশন পরিচালনা করা হয়।
 

SHARE THIS POST: