বাল্যবিবাহ বা কম বয়সে ছেলে-মেয়েদের বিয়ে দেওয়া আমাদের দেশে একটি গুরুতর সামাজিক সমস্যা। সাধারণত দারিদ্র্য, অশিক্ষা ও কুসংস্কারের কারণে এটি ঘটে। এর ফলে মেয়েদের স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ে, শিক্ষাজীবন বন্ধ হয়ে যায় এবং মানসিক চাপ তৈরি হয়। তাছাড়া কম বয়সে মেয়েদের শরীর পুরোপুরি গঠিত হয় না। তাই গর্ভধারণ করলে প্রসবের সময় জটিলতা, রক্তক্ষরণ ও অন্যান্য স্বাস্থ্যঝুঁকি বেড়ে যায়।
বাল্যবিবাহের ফলে অল্প বয়সে সন্তান জন্ম দিলে মা ও শিশুর মৃত্যুর সম্ভাবনা বেশি থাকে—এটি চিকিৎসা বিজ্ঞানে প্রমাণিত। এছাড়া কিশোরী মেয়েরা নিজেরাই পুষ্টির ঘাটতিতে থাকে। এই অবস্থায় গর্ভধারণ করলে মা ও শিশুর উভয়েরই অপুষ্টি দেখা দেয়। অল্প বয়সে বিয়ে মানসিক চাপ, ভয়, উদ্বেগ ও বিষণ্নতা বাড়ায়। কারণ এই বয়সে তারা মানসিকভাবে প্রস্তুত থাকে না। কিশোর বয়সে শরীরের বৃদ্ধি চলমান থাকে। গর্ভধারণ ও অতিরিক্ত দায়িত্ব সেই স্বাভাবিক বৃদ্ধি ব্যাহত করে।






