গাইবান্ধা, ১৮ জুন: যুব উন্নয়ন, জেন্ডার সমতা, সামাজিক অন্তর্ভুক্তি এবং সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সমন্বয় জোরদারের লক্ষ্যে গাইবান্ধায় ‘নেটওয়ার্কিং মিটিং–০২’ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার গাইবান্ধা শহরের দেশি ভোজের কনফারেন্স রুমে আলোর ধারা পাঠশালা–অপরাজেয় তারুণ্যের উদ্যোগে আয়োজিত এ সভায় বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, এনজিও প্রতিনিধি, অভিভাবক ও স্থানীয় কমিউনিটি লিডাররা অংশ নেন। মেন্টর জিহানুল হক জোহা সভা পরিচালনা করেন। শুরুতে অংশগ্রহণকারীদের পরিচয় পর্ব অনুষ্ঠিত হয়। পরে ইউনিট ম্যানেজার মো. এনামুল হক স্বাগত বক্তব্য দেন।
সভায় আলোর ধারা পাঠশালার ইয়ুথ অফিসার মো. তাজবিউল ইসলাম তুর্য প্রকল্পের লক্ষ্য, উদ্দেশ্য ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরেন। এরপর প্রকল্প কর্মকর্তা মোছা. আসফিয়া খাতুন পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে প্রকল্পের বিভিন্ন কার্যক্রম, অর্জন, অংশগ্রহণকারীভিত্তিক উদ্যোগ এবং ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা উপস্থাপন করেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. ইমাম হাসিম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা শিক্ষা অফিসার মো. আতাউর রহমান, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. খাদেমুল ইসলাম, জেলা পরিবার পরিকল্পনা অফিসের সহকারী পরিচালক মোছা. মাহবুবা খাতুন এবং জেলা তথ্য অফিসার মো. ইসতিয়াক আহমেদ আবির।
আলোচনা পর্বে বক্তারা বলেন, টেকসই যুব উন্নয়ন নিশ্চিত করতে সরকারি প্রতিষ্ঠান, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, বেসরকারি সংস্থা এবং স্থানীয় কমিউনিটির মধ্যে সমন্বিত উদ্যোগ ও অংশীদারত্ব আরও জোরদার করা প্রয়োজন। তাঁরা কিশোর-কিশোরী ও তরুণদের দক্ষতা উন্নয়ন, জেন্ডার সংবেদনশীলতা, নেতৃত্ব বিকাশ এবং নিরাপদ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক সামাজিক পরিবেশ গড়ে তুলতে সম্মিলিতভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
মতবিনিময় পর্বে বিভিন্ন বিদ্যালয়ের শিক্ষক, এনজিও প্রতিনিধি, অভিভাবক ও কমিউনিটি লিডাররা অংশ নিয়ে প্রকল্পের কার্যক্রম নিয়ে মতামত ও সুপারিশ তুলে ধরেন। তাঁরা স্থানীয় পর্যায়ে সমন্বয় বৃদ্ধি, সচেতনতামূলক কার্যক্রম সম্প্রসারণ এবং তরুণদের অংশগ্রহণমূলক উদ্যোগ আরও শক্তিশালী করার প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করেন।
সভার শেষে প্রকল্প কর্মকর্তা মোছা. আসফিয়া খাতুন উপস্থিত অতিথি ও অংশগ্রহণকারীদের ধন্যবাদ জানান। পরে নেটওয়ার্কিং সভার সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।







